রাজীব নন্দী
রাজীব নন্দী: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, নিউ মিডিয়া ও রাজনৈতিক যোগাযোগ বিষয়ে গবেষক।
পঞ্চানন কর্মকার থেকে এআই প্রম্পট / একদিন অক্ষর ছাপত মানুষ, আজ মানুষকে পড়ে অ্যালগরিদম
সেই পঞ্চানন কর্মকার থেকে আজকের এআই প্রম্পট। সীসার হরফ থেকে সিলিকন সার্ভার। খোদাই থেকে কোড। অক্ষর থেকে অ্যালগরিদম। বাংলা ও বাঙালির গণযোগাযোগের প্রায় আড়াইশ বছরের ইতিহাসকে হয়তো এভাবেই দেখা যায়।
৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন
শতবর্ষে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন / ‘শিখা’ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—বাঙালি মুসলমানের জনপরিসরে যুক্তির খোঁজে
যে সমাজ মনীষীদের জন্মদিন পালন করে, কিন্তু তাদের প্রশ্ন সহ্য করে না; বইমেলা করে, কিন্তু বইয়ের ভাবনা ভয় পায়; বিশ্ববিদ্যালয় বাড়ায়, কিন্তু স্বাধীন বিচারবুদ্ধি সংকুচিত করে; ধর্মের মর্যাদা রক্ষার নামে সত্যকে এবং সংস্কৃতির মর্যাদা রক্ষার নামে মানুষকে নীরব করে—সে সমাজ আসলে জ্ঞানের নয়, স্মারক ও স্লোগানের সমাজ।
৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ন
ডিজিটাল যুগে সম্পর্কের নতুন ব্যাকরণ: উত্তম কুমার কি এখনো প্রাসঙ্গিক?
ডিজিটাল যুগে ফেসবুক আর নিউ মিডিয়ার দাপটে প্রেম, সম্পর্ক আর সেলিব্রিটি কালচারের পুরো গেমটাই বদলে গেছে। এখন সম্পর্ক মানে শুধু ফিলিং না—এটা অনেকটা ভিজিবিলিটি, লাইক আর ডিজিটাল ভ্যালিডেশনের ব্যাপার। এর উল্টোদিকে উত্তম কুমার আর উত্তম–সুচিত্রার যুগ ছিল স্লো, ক্লাসি আর সাইলেন্ট ইমোশনের গল্প। উত্তম কুমারের প্রয়াণ দিবসে দাঁড়িয়ে লেখাটি একটি বড় প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়—আমরা কি আরও ভাইবভিত্তিক, কিন্তু ইমোশনালি ফাঁকা সম্পর্কের দিকেই চলে যাচ্ছি?
২৪ জুলাই ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
নিঃসঙ্গতায় মৃত্যু—আমরা বেঁচে থাকতে কতজন সত্যিই জানে যে আমরা আছি
আমাদের মৃত্যুর পর কতদিন লাগবে মানুষ জানতে যে আমরা আর বেঁচে নেই? এই প্রশ্নের চেয়েও ভয়ংকর প্রশ্ন হলো, আমরা বেঁচে থাকতে কতজন সত্যিই জানে যে আমরা আছি?
২৮ জুন ২০২৬, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
বিশ্ব পরিবেশ দিবস / গণশত্রু থেকে গ্লোবাল ওয়ার্মিং: প্রকৃতি, মিডিয়া ও প্রতিরোধের গল্প
আসলে পরিবেশ সংকটের বড় অংশই একটি ‘কমিউনিকেশন ক্রাইসিস’। আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করছি, যেখানে মানুষ প্রকৃতির চেয়ে স্ক্রিন বেশি দেখে। ফলে নদী শুকিয়ে যাওয়ার চেয়ে নতুন ফোনের বিজ্ঞাপন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
৫ জুন ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
বিশ্রাম, অলসতা ও নতুন শ্রম ধারণা: কর্ম-সংস্কৃতির নীরব বদল
আমরা কি সত্যিই কাজের চেয়ে বিশ্রামকে বেশি ভালোবাসতে শুরু করেছি? নাকি বদলে যাওয়া বিশ্ব-বাস্তবতায় আমাদের কর্ম-সংস্কৃতিই নিঃশব্দে পাল্টে যাচ্ছে?
১৯ মে ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন