ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছু জানে না: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছু জানে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
আজ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
শাহে আলম বলেন, ‘আপনাদের মতো আমরাও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে পত্রিকায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও টেলিভিশনগুলোতে দেখেছি যে, নির্বাচন কমিশন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের কয়েক ধাপে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে।’
তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীকে শুধু এইটুকুই জানাতে চাই, এ ব্যাপারে সরকার কিছু জানে না, এবং সরকারের সঙ্গে কোনো পত্র যোগাযোগ বা অন্য কোনোভাবে আলোচনা হয়নি।’
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন স্বাধীন। তাদের নির্বাচন করার সাংবিধানিক ক্ষমতা আছে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন সরকারের সঙ্গে আলোচনার পর, প্রস্তুতি সভা বা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা করার পরে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে। বাজেটসহ বিভিন্ন বিষয় থাকে।’
‘নির্বাচন কমিশন যে তারিখগুলো ঘোষণা করেছে, এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি এবং সরকার এ ব্যাপারে কিছু জানে না,’ যোগ করেন তিনি।
এর আগে গতকাল বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন।
তিনি আরও জানান, প্রথম ধাপে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর।
সরকারের সঙ্গে পরামর্শ না করেই নির্বাচন কমিশন ভোটের তারিখ ঘোষণা করেছে কি না জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আমরা যে তারিখ ঘোষণা করেছি, তা প্রাথমিক। ১৭ সেপ্টেম্বর ইসিতে আন্তঃবিভাগীয় বৈঠকের পর তারিখ চূড়ান্ত করা হবে।’
‘ওই আলোচনার পরই আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব,’ যোগ করেন তিনি।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে ইসি কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি পেয়েছে কি না জানতে চাইলে মাছউদ বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো তথ্য আমার জানা নেই।’
