অস্ট্রেলিয়াকে বিধ্বস্ত করে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়
অস্ট্রেলিয়াকে বিধ্বস্ত করে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়
অস্ট্রেলিয়াকে বিধ্বস্ত করে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়
প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান তানজিদের বিদায়
ঐতিহাসিক জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য ৫৭
সেঞ্চুরিয়ান গ্রিনকে বোল্ড করলেন হাসান, ঐতিহাসিক জয়ের পথে বাংলাদেশ
একা লড়ে গ্রিনের সেঞ্চুরি
লাঞ্চের পর স্টার্ককে ফেরালেন তাসকিন
মিরাজের ঘূর্ণিতে প্রথম সেশনেই কোণঠাসা অস্ট্রেলিয়া
লিড পেল অস্ট্রেলিয়া, মিরাজের ঘূর্নিতে বাংলাদেশের দাপট
মিরাজের ঘূর্নিতে জয়ের কাছে বাংলাদেশ
ওয়েবস্টারকেও বোল্ড করলেন মিরাজ
কেয়ারিকে ফিরিয়ে দিলেন মিরাজ
ইতিহাস গড়ার হাতছানি বাংলাদেশের
২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে গিয়েছিলো বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্তর দল লড়াই করতে পারবে কিনা তা নিয়ে সংশয়ে ছিলেন অনেকেই। তবে অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে শুরু থেকে কোণঠাসা করে দিয়ে ঐতিহাসিক জয় পেয়ে গেল লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।
রোববার ডারউইন টেস্টের চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশ জয় তুলেছে ৯ উইকেটে। অস্ট্রেলিয়াকে ২৮৪ রানে আটকে দেওয়ার পর কেবল ৫৭ রানের লক্ষ্য পায় টাইগাররা। তানজিদ হাসান তামিমকে হারিয়ে ছোট লক্ষ্য পেরিয়ে উল্লাসে মাতে বাংলাদেশ। দলের জয় নিশ্চিত করে সাদমান ইসলাম ২৫ ও মুমিনুল ৩০ রানে অপরাজিত ছিলেন।
২০১৭ সালে ঘরের মাঠে একবার অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিলো বাংলাদেশ। তবে সেবার খেলা হয়েছিলো টার্নিং উইকেটে। অস্ট্রেলিয়ার মাঠে গিয়ে স্পোর্টিং উইকেটে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দলকে হারানো ছাড়িয়ে গেল সব কিছুকে। এশিয়ার দলগুলোর মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে অস্ট্রেলিয়ার গিয়ে জয় আছে ভারতের। এর বাইরে শ্রীলঙ্কা কখনো অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট জেতেনি, পাকিস্তান অস্ট্রেলিয়ায় সর্বশেষ টেস্ট জিতেছিলো ৩০ বছর। দুটি দলই অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বেশি সফর করেছে।
বাংলাদেশের এমন ঐতিহাসিক জয়ের নায়ক দুই 'হাসান'। বল হাতে প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়া হাসান মাহমুদ দ্বিতীয় ইনিংসেও পান ৩ উইকেট। মেহেদী হাসান মিরাজ প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে ৬৫ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৬ রানে ৫ উইকেট নিয়ে রাখলেন বড় অবদান।
প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়কে ১৯৮ রানে গুটিয়ে ম্যাচে দারুণ পেয়েছিলো সফরকারীরা। পরে তানজিদের সেঞ্চুরি, শান্ত ও মিরাজের ফিফটিতে দল করে ৪২৬ রান। ২২৮ রানে পিছিয়ে ম্যাচে ফিরতে পারেনি পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়া। মিরাজের স্পিনে কেবল ৫৬ রানের লিড নিতে পারে তারা। যা নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে লড়াইও জমাতে পারেনি তারা।
